Thursday, June 23, 2022

পাথুরে বোধনের কান্না শুনি কাশবনে

পাথুরে বোধনের কান্না শুনি কাশবনে

দীপংকর রায়‌

উৎসর্গ : দীপ্তিশিখা দাস




৩১.
 না যদি এলে , এলো তো সে 


 ওই দেখ , নাচন তাঁর রক্তে রক্তে ধ্বনিত ;
 শানিত প্রবাহ ঘিরে 
               নির্জন ----


 যাইনি ফুরায়ে 
 ছাড়িয়ে আকাশ 
 ওই তো তারায়‌ তারায় 
                 রাতের চিতায় জ্বলছে ---


 সেই আঁধার দেখো 


 চেনোনি ! 
 তুমিও চেননি , দেখনি 
             সেই অসহায় ;


 কাঁদি আমি কাঁদি 
 জড়িয়ে তোমায় ;


 দূর মাঠে 
     গড়িয়ে নামছে‌ যে
              হাহাকার
 শতজন্মের সমাধি ঘিরে আমার শরীর,   তোমারই শরীরে মিশে যে গান গাইলাম   উভয়ে -----
 তারই সকল স্মৃতি ঘিরে চলেছ তুমিও ...


 আমার বয়স ফুরায় না ---- ফুরায় কেবল   তোমাকে ঘিরে ,  সেই 
              আজন্মকাল .....





৩২.
 দুপুরবেলায় 
 সামনের বাড়ির কার্ণিশে
 শরৎএর ঘুঘুকে ডাকতে শুনলাম ;
 মুহূর্তের আচ্ছন্নতা ভাসাতে থাকলো   কোথায় কোথায় যেন
                ঘুরতেই থাকলাম .....।


 এখন সন্ধ্যাবেলা 
 ঘুঘুটি নেই ---- অন্য আলোর লুকোচুরির ভেতর 
 আর একটি পাখির লুকোচুরি রয়েছে যেন;   সে যে কোথায়‌ কোথায়‌ নিয়ে চলে দুটি হাত  ধরে আমায়‌ ; আর কোনো মুখ আর মুখে থাকে না , শরীর----  


 সেও নেই 
 শত শত জন্মের ওপারে যেন দাঁড়িয়ে কারো হাতগুলি ---- 


 দেখা যাচ্ছে কী অপার আনন্দে 
 কী অসীম মেঘমালায় 
                           ভেসে ভেসে 
 সেই মিলন সম্পূর্ণ করছে !


 তিনিও যেন বাঁশি ---- আর তাঁর কাঁধে মাথাটি রেখে মূর্ছিত নয়নে  
 এ কোন রাধিকা সে ....?!






৩৩.
 তার পাথর বুকে 
 জল হয়ে ভেসে যাই .....


 কিছুটা ছিটিয়ে নিও সেই ধুলোয় ----যদি  স্রোতধারায়‌ সত্যিই জন্মায় কিছু;


 ধুলো আর ধুলো চারদিক ।


 পাথর কেঁদে উঠে বলে , কোথায় রেখে এলে তাকে ?
 সে যে অহল্যা-ভূমির মণিকর্ণিকা--- 
 যত খুশি মেটাও তৃষা 


 হেঁটে চলো একা একা, ওই তো হেঁটে চলেছে দেখ , সন্ধ্যার লালচে মেঘের 
                        আকাশ ছুঁয়ে 
 এই ঋতুর আজন্মকাল.......;





৩৪.
 ওই তো 
 কথারা রাতের কুয়াশায় মাখামাখি পড়ে আছে ঝোঁপ জঙ্গল জড়িয়ে ;


তবু কোথাও আকাশ পাচ্ছি না খুঁজে।  আকাশের আলো-অন্ধকারে জড়িয়ে 
উঠে গেছে কত কথারা 
                         জীবনের কাছ থেকে যেন, 
অনেকটা দূরে --- চাঁদ ডুবে গেছে। তারারাও  দমবন্ধ হাওয়ায় 
হারিয়ে ফেলেছে কত গল্পদের ;


কেউ নেই এমন , কাউকেই দেখা যাচ্ছে না বারান্দা ঘর হারিয়ে বাইরে বেরোতে । সকলেই জেগে নেই , জানো জাগার এমন কোনো উৎকন্ঠা নেই ---- সে কথা জেনে গিয়েই চাঁদও থাকেনি , তারারাও হারিয়ে গেছে অনেক দূর অবধি ---- যেখানের পাথর নজর ঘিরে চেয়ে আছে 
আমাদের কয়েকজনের রাত ;


যাদের এমন একটুকরো বারান্দার 
গল্প আছে বলেই 
কুয়াশাদের বিস্তার এই পাথরের 
                                দেশে দেশে....






৩৫.
থেকে থেকে হাই তুলছে ;
কোলের উপর গড়িয়ে পড়ছে কে যেন;
জীবন , তুমি কতদূর দেখতে পাও ?
জীবন , তুমি কত স্মৃতির ভেতর  
ব্যর্থ প্রেমিকের মত শিশু হয়ে  আছাড়িপিছাড়ি খাও ; বলতে পারে কি ওই পাহাড় 
ঘুম থেকে জেগে উঠে , জানি না তো ;  
কে যেন শ্বাস নেয় শুনি মহুল গাছটিকে টেনে নেয় বুকের ভেতর; তারপর হাওয়া হয়ে ছুটে আসে এত দূর---- 

কে যেন বলেছিল,বাড়ি যাবো, বাড়ি ফিরে চলেছি.....

----- দেশের বাড়ি ?

তার দেশ আছে , আমার কোনো দেশ নেই । তাহলে এত মানুষের পথের সঙ্গে‌ হাঁটি কেন ....?

মানুষের পথই তো আমার দেশ । মানুষের পথের সাথে সাথি হয়ে এই যে চলি , আরো কত জন আসে যায় 
আমার ঘুমের কোল জুড়ে !

সকলের সঙ্গেই আমার ফেরা । সকলের সঙ্গেই এক একটি পথ কত দেশের সঙ্গে ঝিমুতে ঝিমুতে বাড়ি ফেরে যে ------- সে কথাই ভাবছি আজ  
তার বাড়ি ফেরার খবর পেয়ে ----






৩৬.
একটি চুন-খসা দেওয়ালে 
কেউ আঁকতে চাইছে 
                       মুখ ;
অন্তরালে কে যেন পারদ ছুঁড়ছে ----


মাঠে ভেঙে-চুরে পড়ে আছে অনেক ছায়াশরীরীরা------ কেউ আহুতি আঁকার পরিকল্পনায় ধাক্কা দিচ্ছে ---- ধ্যানমগ্ন থাকে যেখানে গভীর সত্য ।


সে যখন দাঁড়ালো দেয়ালে , দেওয়ালও কথা বলে উঠলো 
অনেক জীর্ণতা ছাড়িয়ে ; 
ধ্যান ভেঙে ছুটিয়ে দেবার হৃদয় কি অল্পেতে থামতে চায় !


এক একটি করে 
গাছ পাতারা ঢেউ ভাঙতে ভাঙতে  
ছুটে আসছে প্রকাশিত হবার তাড়নায়‌ ------ সেই অবগুন্ঠনকে ঠেলছে যতোই 
ততোই বর্ণময় হয়ে উঠছে জঙ্গল-ঘেঁষা নদীর উপরের মাঘীপূর্ণিমার চাঁদ ----


সে ছুটে যাবার চেষ্টায় 
বারবার সেই আলোকে কোষ- কেড়ে ধরতে চাইছে বিনম্র আহ্লাদে ! 


বর্ণময় হয়ে উঠছে 
সমস্ত আঙুলে 
শুভেচ্ছাপ্রাপ্ত আলো অন্ধকারের চলচিত্রপট ----- চুনখসা দেওয়াল  
                       তবুও কাঁদছে ----


কেন যে নিজেকে এতটা প্রসারিত করতে চাইছে জীবন !
তারপর যেন আর কোনো বিভাজন নেই 


দেওয়াল সচিত্র প্রকাশে বিস্তীর্ণ পূর্ণিমা ----


এই একাত্ম রূপ কি আলাদা হয় ?
সমস্ত দেওয়াল জুড়ে আজ 
সে গভীর রং লাগিয়ে দিয়েছে ......





৩৭.
সমর্পণে 
কোথাও কি পাপ আছে ?


অন্তরাত্মার আলিঙ্গনে 
লজ্জার প্রসঙ্গ আসলে 
ঘাবড়ে যাই । তবে কি সুদূর বলে 
কিছুতেই আর কিছু নেই !


স্বপ্নে কি ছুঁয়ে যেতে পারে না  
জ্যোস্নারাতের জলতরঙ্গরা .....


তাহলেও কি হাতটি রাখা যায় 
অন্তরাত্মার উৎসমূলে !


ভাসতে ভাসতে কেউ যদি 
প্রত্যক্ষ করেই 
কারো গভীর তৃষা ;
কেউ যদি জল- চাঁদ- মেঘে 
গড়াগড়ি খায় , বাদাবনের নোনাজলে , 
গান শোনাতে চায় কাউকে ; তুমি তাতে 
এত পাপ খুঁজে মরছো কেন ?


সে যে এত ছবি খামে ভরে পাঠালো 
সে যে তৃষ্ণায় ছটফট করতে করতে 
শব্দের গেলাসে‌ দিলো চুমুক , তুমি‌ কি আর তাকে পাঠাবে না 
সমস্ত প্রতিবন্ধকতা ভেঙে 
স্তব্ধতার আলিঙ্গনাবদ্ধ পাথর মূর্তিখানি 
একবারও !


বাতাসে‌ বারুদ-গন্ধ  
বাতাসে বিচ্ছিন্ন হানাহানির মৃত শরীর ;
বাতাসে তো লোভ আর লালসার 
                       আশাবাদী ছলনা ;


এসময় 
কেউ যদি একটুখানি দেখে ফেলেই 
অসম আনন্দের ছবিখানি,
নানা প্রলাপে ভেসে যেতে চায় 
মাঘী-পূর্ণিমার নোনাজলে ;
একটি চাঁদের ভেতর লক্ষ করে 
লক্ষকোটি চাঁদের তরঙ্গ ----
তুমি সেই জলরেখা ভেঙে , মুহূর্তের উচ্ছাসে 
দাঁড়াবে না রাধা নামের কলঙ্কে 
আর একটিবারও !?


সমর্থনে কোথাও তো 
লজ্জার অস্তিত্ব খুঁজে পাই না !





৩৮.
গান তো আমি গাই না
গায় , সেই  
নির্জন রাতের তারারা---- 


সেও 
সেই সুরে আকাশ জুড়ে দাঁড়ায় 
বিভঙ্গ মুদ্রায় ।


এরপর বনজঙ্গল-----পাহাড়----মেঘ 
একাকার করে 
হৃদয়ে আমার !


কান পাতো 
শুনতে পাবে 
তার পায়ের কান্না ;
মুদ্রা তুলে ছড়িয়ে পড়ছে
কতটা রাতের শিশিরে... ;


আমি তো রোজ তার
পায়ের পাতার উপর থেকে 
চোখের জল তুলি 
দু'হাতে ;----
কাটা-ফসলের মোথায় গড়াগড়ি খেতে দেখি 
তার সমস্ত রাতের প্রলাপ ----;


গান তো আমি গাই না 
গায় সে 
আমার গলায় ।
গান তো জন্মের অন্ধকার থেকে 
আলো খুঁজে খুঁজে হন্যে হয় 
জীবনের সুরে ----


কেউ কেউ পায় ,
পায়, সে মহার্ঘ্য  ?


জন্ম তো জন্মে জন্মে 
কতবার এলো আর গেল .....


কেউ কেউ জানে 
কেউ কেউ জানতে পায় সেই কথা -----


তবু তা সবটা নয় 
সবটা পেতে 
সবটা দিয়ে দাঁড়াতে হয়, সেই মুর্ছনায় --


যেখানে 
সবটাই মুক্ত-বিহঙ্গে চলেছে ভেসে ......





৩৯.
কোন নামে ডাকবো

সে তো সাতচল্লিশ থেকে 
একাত্তর,
সাতষট্টি থেকে নব্বই ,
ছয় থেকে একুশ ,
একই বিচ্ছিন্ন নদী 
পাহাড় ঘাসজঙ্গল ভেঙে শিউলি ছড়ালো .....;


আকাশ টুকরো হয়ে পড়ে আছে চাতালে ।


পুবে পশ্চিমে 
বেলা পড়ে আসে একটি রেখায় ।
পশ্চিমে পুবে 
কেবলই অসম আকাশের ঘোর।
খণ্ড খণ্ড মেঘেদের কারুকার্যে 
ক্লান্ত--- ধ্বস্ত--- 
একটি মুখই সকল মুখের ভেতর !


রাতের জানলায় অন্ধকার পথ চলেছে ছুটে.......
ফেরার মনকেমন জানে না 
পথের পাশে কারা এসে দাঁড়িয়েছিল চুপচাপ ।


এই পর্যটন 
পর্যটন না ----ঠিকানা যেমন ঠিকানায় নেই স্থির---- ঘর কে যেন ঘরের মতোন 
দেখতে এসেছিল বলেই 
বাড়ি ফেরা ভুল হয় কেবলই......


বাড়ি কি একবারও বাড়ির দুয়ারে 
দাঁড়িয়ে আঙুল উঁচিয়ে বলতে পারলো , ওই তো ঠিকানা ঠিক করে দেব বলে 
আজ তাকে ভোরের আকাশ  
স্পষ্ট করে দেখাবেই ------
তাকে আর মিথ্যে জ্যোস্নায় দাঁড়িয়ে থাকতে হবে না 
কারো গালের স্পর্শ পেতে -----






৪০.
আড়ালে দুলতে চেয়েছ বলেই ,
এই রোদে চেয়ে থাকি---  
ঘামতে চেয়েছো 
বলেই........;


শীতরোদ মাখামাখি জানলায় 
ডানা গুটিয়ে আসলো উড়ে ......
ঘুরে ঘুরে প্রলাপ শোনাই ---- আলোর অর্থ বোঝাই ---- সামর্থ নেই যে, হারাই‌ 


তাই কি যখন তখন পাঠাই ছবি ?
ভাবি , এটা নয়‌, ওটা নয় , তাহলে তাইতে ;


বাইতে বাইতে
যাই চলে ,
পাই আর না পাই 
ধাই সেই সুরে ----
ঘুরে ঘুরে যে জ্বরের ঘোরে কাঁপলে তুমি 
তাই চুমি ,
এ বৃক্ষ - কথার ব্যাথার ঘোরে 
তুমি শোনাও গান যদি,

দানের প্রাণে বাজাই হারমনি
জানি জানি 
উচ্ছাসে নেই বিশ্বাস 


তাই তো আড়াল 
তাই তো রোদ
গুটোনো ডানার ভেতরে রাখি 
মুখটি আমার -----


জ্বরের ঘোরে প্রলাপ পাঠাই 
কার শরীর যায় ভিজে আজ ----?





৪১.
এই শীতরাতের কুয়াশায় 
কে যেন ডুবিয়ে রেখেছে তার শরীর---- 
কাঁকরে পাথরে ধুলোয় মাখামাখি সেই মুখ , 
ঝাপসা ; পথপাশে দাঁড়িয়ে
ও কী , বৃক্ষলতা 
না কি কারো ছায়ামেঘ সরিয়ে 
                              চলে যায় কেউ 

রাতের একান্ত সংলাপগুলি সে সব ।

সারাটা পথ আজ সে গোপন শরীরে একান্ত অন্তরটি ডুবিয়ে 
পাখা মেলেছিল যেন ;
তার ডানার শব্দের অনুভব 
পাঠিয়েছিল পশ্চিমের আকাশ আমায় ;

পাহাড় পাহাড়ের ওপারে ডুবে ছিল 
কাকে নিয়ে যেন -----ছিল না পলাশের বনে
হাওয়া মুখের চলাচল ; বাতাসেরা কাঁদাচ্ছে
বুঝি , অনেক শীত রাতের চাঁদেদের ......!

একটু একটু করে মিলিয়ে যায় 
আমাদের অনুভবের ভেতর 
অনেক প্রিয় ভূমি-কথারা -----

তাঁকে তার মতো করে চিনিনি যে কেন ,
চিনেছি কি তার অন্তরবিষাদ ?

শীতরাতের কুয়াশায়  
কাঁকড়ে পাথরে ধুলোয় যে পথটি চলেছে 
তার সাথে ঘুরে ঘুরে 
চলেছে ছুটে ..... আমিও কি তার সওয়ারী হই ---- !

রাতেরা ফুরোয় কত রাতের সুখতারায় ডুবে ডুবে ----- ভোরের দেখা পায় বুঝি 
কখনও কখনোও ! সেই সব রাতেরা যখন 
একা একা ফুরোয়, ফুরোয় পথে পথে .....

মুখটি কার যে বুঁজে আছে 
ওই দূরের পাহাড়ে !
বাসি চাঁদে গড়াগড়ি খায় কে ও ! 

আকাশটাই বিছানা বিছিয়ে ছিল যেন কারও
                  সেই অস্তসোহাগে......!






৪২.
রাত তো একার না !

অনেক কথারা হুমড়ি খেয়ে পড়ে
প্রিয় অপ্রিয় মুখে -----;


তার ভেতরে অনেক আকাশ ভাসে ।


আমাদের সকল সময় 
সময়েই নেই -----
সময় আপন আনন্দেই পাগল হয় ।


কাঁদেও ----


সে কান্নার শব্দ তুমি শোনো নি কখনও !
সে কান্নার নুপুর বাজে 
কোনো এক নির্জন রাতের পায়‌.....


তুমি কি সেই  
কুয়াশায় কুয়াশায়
পাহাড়ের নিচু ঢালে
অনেক বসন্ত ফোঁটাও...... ;


চিঠি পাঠিও 
পলাশে পলাশে কথা হলে, দুধারী পথের হাওয়ায় ------ কারা যেন রঙিন হতে চেয়েছিল সেবার ----


রাত তো একার না 
প্রিয় অপ্রিয় সুখে .....;





৪৩.
সব অপেক্ষার আকাশকে 
একদিন ঘিরে ধরবে সাদা মেঘ ;

সেদিনও রঙে রঙে আরো রঙিন হবে পলাশেরা --- 


মাটি আর ফুলে 
কথা কওয়াকয়ি
শেষ হবে না কি কোনোদিনও?
এই নিঃসঙ্গতার কথা শোনে কে আর কতকাল !


সে প্রকৃতির প্রলাপ 
শুনতে পায় ক'জন আর কানে ;


অনুভবের স্মৃতি দিয়ে 
তাকে শুধু চেয়ে দেখ একবার অন্তত , 
সেই সব আকাশকথাদের ;


হাজারো বর্ণময়তায় চলে যায় 
যে চোখের আড়ালে 
আমাদের অদেখা দৃশ্যগুলো ....!



 ( চিত্রশিল্প : পর্ণা দাশগুপ্ত মিত্র )





No comments:

Post a Comment

পাথুরে বোধনের কান্না শুনি কাশবনে

পাথুরে বোধনের কান্না শুনি কাশবনে দীপংকর রায়‌ উৎসর্গ : দীপ্তিশিখা দাস ১৬৩. একটিকেই চিনি, দুদিকে প্রসস্ত সকালের অন্ধকার যার... নৈঃশব্দ সেই ঘু...