দীপংকর রায়
উৎসর্গ : দীপ্তিশিখা দাস
৫০.
সেই
অসহায়তার মধ্যেই
নিজেকে ডোবাই ।
ডুবতে ডুবতে
ভাসতে পারার সুখে ,
আর কিছু খুঁজে পাই না ।
ছবি আসে উঠে ,
তার ভেতর নিজের
এমন এক উদাসিনতাকে লালন করি , বলতেই পারো এই খামখেয়ালীতে ডুববো কেন আমি ?
ডাকি না
ইঙ্গিত পাঠাই
বলি , এই জল-তল-আকাশ দিতে পারি তোমাকে
একটি ঘূর্ণির ভেতর বাঁশির মতোন বাজতে শুধুই ......
তুমি কি চাও ?
না ঝোঁকনি ।
উঁকি দিয়েই সরে যাও
নিজের অসম্পূর্ণতা নিয়ে দূরে
বহুদূরে ......
প্রবাহমান প্রবাহের
অতলান্তে ডুবতে গেলে
অনিবার্যের সম্ভাবনায় সংশয় আছে অনেক ;
নদী দেখলেও ভয়
সামান্য পুকুরেও আতঙ্ক ছড়ায় মুখে। কুয়োর অন্ধকারের কথা না হয় থাক ।
সমুদ্রের মোহনীয় শব্দতরঙ্গে যে অদৃশ্যের দূর আছে ,তার বালিয়ারী
সোহাগ ছোঁবে ?
চলো , সেই ঢেউ-এ ঢেউ-এ উড়ে যাই----
দৃশ্যময় অদৃশ্যের অনন্ত অদেখায় ভেসে ভেসে ডুবে উঠি ......;
সে অনিবার্যে সুখ নেই যদিও আপাতভাবে ---তাকে বুকে নিয়ে কেউ ঘরে ফেরে না বুঝি !
ডুবতে ডুবতে
ভাসতে পারার সুখে
বারবার এমন জলের কাছে যাই ----- যে অনন্ত কথা বলে দুপারেই !
মেঘ বৃষ্টি একাকার করে এমন দৃশ্যমানতায় ঘুরে বেড়ায় সেই ছবি ----
যা দেখে এত ভয় পাও কেন ?
ভয় পায়
তোমার পেছনের সারিতে যতগুলি
ছিল মুখ ...
কেউ ঝুঁকতে চাইনি ---
যদিও সমুদ্র ডেকেছিল কতবার ....
জলের চিহ্ন নেই যেখানে
অথচ জল সমেত নদী পুকুর উথলে উঠেছিল খালি -----
সমুদ্র চিৎকার করে ডাকতে থাকলো ----
তখন শুধুই বারবার পিছন ফিরে ছুটতে দেখি তোমাকে ......
কে যেন এভাবেই
নিশ্চিহ্ন করে নিয়ে যায়
সমস্ত আকাশটাকে ফাটিয়ে
দূর
বহুদূর .....
সে কোন নদীগর্ভে দীর্ঘ হয়
আমারই ছায়ায়
অযুত দিনান্ত ..... ?
৫১.
যদি মাঝখানে দাঁড়িয়ে
দুহাতে ধরি নতুন কুয়াশায় দুপ্রান্তের পাখিদের নেমে আসার ছায়া ;
কি বলবে অফুরন্ত প্রত্যাশা ---- বলবে কি, সে শুধুই আমার অভিপ্রায় ; নাকি তুমিও ছিলে সেই আলোয় অকৃপণ দাঁড়িয়ে খানিকক্ষণ !
যাই বলো
যেভাবেই ;
দরদামের তুল্যমূল্য বিচারে যেভাবেই যাও; একার ইচ্ছায় নির্ভেজাল শাখা হয় না প্রশস্ত --------
আমার প্রত্যাশা তো মাটি চাইলে
জল , চেয়ে নেয় যদি খানিকটা পাহাড় ;
নদীতে ভূমিতে আমার দুহাত কেবলই প্রসারিত দিনের লম্বালম্বি ছায়ারোদ মাখেই গালে ;
তুমি কি বলবে
সে শুধুই আমার ?
আমার চিতাভষ্ম ওই তো দিনান্তের গোধুলি ছাড়িয়ে গেল তোমারও দুপাশের গালের !
মাঝখানে কে ও
চেনো কি তাঁকে ?
নাকি, না চেনার অচেনা সে খেলায় দুবাহু ছড়িয়ে আমার মতোই তোমারও একটি ভাঙা ঘর সে সব কোথাও ; সে চাওয়া পাওয়া ঘিরেই এই মন রাখা কথাদের
পাঠিয়েছ আজ সেই মাঠের সবুজ কুয়াশায়
একটি দিনের জন্য আজ ......!
ভাঙতে ভাঙতে যাতে মিশে যায়
কত যে অপর দিনের ঋতুকাল ---- তা তো সে বোঝেনি আমার মতো ঢেউ ভেঙে ভেঙে একাকী , এই কুয়াশায় ------
৫২.
বৃষ্টি হওয়ার কথা ছিল,
কাকে যেন ঘোরাঘুরি করতে দেখি অনলাইনে...... রোদ্দুরের ভেতর ;
কতকাল ডাকবাক্সের দিকে তাকাই নি !
চিঠি তো আসে না
তাই অপেক্ষা নেই
মুঠোর ভেতর তার মুখ ! মুঠোর ভেতর তার চোখের পলক ওঠা নামা করে ।
আমিও আজকাল অফলাইনে যত সব ভাঙা গলার গান শোনাই তাকে ।
বেশ মজা পায় সে , হাসে ,বলে বুড়ো ভামটার নাগর হওয়ার সখ কেমন!
আজও বৃষ্টি হওয়ার কথা ছিল বলে
বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিলাম অনেকক্ষণ ;
কথপকথন চলতে থাকলো তার বিদঘুটে প্রফাইলে......?
৫৩.
বাজার থেকে
তুলে নিয়েছিলাম মুখ ,
হাঁকাহাকি
ডাকাডাকি চলছিল ।
পশরা পসার চেনালো না । দোকান দোকানের মাঝে
বিলিয়ে দিয়েছিলাম বলেই ---- রঙ- তারায় রঙের মাঝে
ফুলঝুরি হারিয়ে গেল সকল উৎসবের মুখ ...
ও দোকানী
দোকান তোমার
গানের গলায় ফিরিয়ে আনুক আমার ফেরার মুখ ,
ঘোরার বেদনার
এই হাটে ......
৫৪.
কেউ কেউ
কারো কারো মাঝে
হয়ে ওঠে ; হয়তো তাও সম্পূর্ণ নয় -----
তবু সেই অসহায়তা ঘিরেই পাক খায় সকল ঘূর্ণাবর্ত । নদীর ছায়াও হারিয়ে যায় নদীতেই অন্তরালে ----
নতুন সেই আলোয় মুখলুকোয় এমন সব কথারা আপন আনন্দে , যে কথার শেষ নেই , শুরু ও নেই ------
অথবা জীবন তুমি বুঝতে দেওনি কোথাও ; নিজের অভিমানে শুধুই চেয়েছিলে একটুখানি !
কী করে যে বলি
দুঃসহ সেই অন্তরায় !
কোনখানে
কোন মোড়ে
সে এর পর দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ঝিমুবে ?
সে যে কতটা কান্না তার
সে যে কী নিঃসঙ্গতা !
একবারও ছুঁয়ে দেখ যদি
একবারও তার মুখপানে প্রকৃত চাও,
দেখোই না
তারপর না হয় ভুলতে হলে যেও ভুলে ----
ভুলতে কি পারো
যে পথটি ধরে একা একা ছুটেছো আরো দূর , অনন্ত সে শূন্যতায় নিজেকে নিয়ে ----
সেও যাক কোথাও নেমে
যারপর আর কোনো ছায়া নেই ----
ধু ধু রুক্ষতা নিয়ে মাঠ পথ শুধুই হলকার বর্ণমালায় সাজানো ক্লান্তির অক্ষর বুনে গেছে যেন ......
দূর
আরো দূর পথে কোথায় যে কে কীভাবে হারিয়ে যায় তা কেই বা জানে ;
৫৫.
সে আমায় অনেক
জ্বালায় শুশ্রূষা দেয় ;
তাই তো গেঁথে তুলি
হাড়-পাঁজরা দুমড়ে
তাকে বিছানা দেবো বলে ।
সে যদি বিশ্রাম চায় ,
পায় ওই মেঘের বর্ণ ;
বাতাসের ঘোরে শুকায় উদভ্রান্ত চুলের
বিভোর
তবে তাকে আরো যা যা দিলে হতে পারে একটি পরিষ্কার দিনের হাসি , তার হাসিতেই ভাঙতে ভাঙতে বৃষ্টি-দিনের
পূর্ণতায় ফিরে পাবো আমাদের সেই মিলন সুখের ভাঙা বারান্দার কোনাটুকু যেন..... ;
সে যখন একটি কবিতা হয়ে গানে যাবে ভেসে , সেই অপেক্ষার কী দিই নাম বলো তো ?
ডাক তার
না ডাকের অনেক সঙ্গ-সুখ খোঁজে ; রক্তের ভেতর যে অসুখে আজ তার মুখটি দুমড়ানো !
সে তো মুখ নয়
সে যে হাজার ভুলের এমনই ভঙ্গিমা ----- যাতে মরতে মরতে
বাঁচতে চাইলেও
বাঁচা তার হয় কোই ?
তবুও সেই দুমড়ানো বিছানায় আপন আনন্দে তার জন্যেই গাই
এমন পৃথিবীর শত শত ঘুমপাড়ানি গান .....?!
৫৬.
এত ভাবে বোঝালে যে, আমার অপরিণত মনের কথা ;
তার একটাকেও কি
দেখেছো ?
যদি দেখতে , সমস্ত দিনের অপেক্ষায়
চেয়ে চেয়ে
অন্ধ হলো কেন কেউ ;
কেনই বা ব্যস্ততার বিশদে না যেয়ে সহজ কথায় বিদায় জানালে তাকে ?
হয়তো কোনোই কাজ নেই ---- বড়শিতে ঝুলছে জলের ভেতর নিঃসঙ্গ ফাতনাটি ;
যা ছিলো ভুল কৌশলে সাজানো অদৃশ্য মুগ্ধতার একটি ভ্রান্তি শুধু -----
৫৭.
পরিক্রমণ শেষ হলে
আঙুলের বাহারে ধরা দেয় অহেতুক মনন ?
কী যে করি লম্বা বারান্দা জুড়ে রোদেদের কলকাকুলিতে হাওয়ারা তছনছ করছে অনেক খানি নিমগ্নতা জুড়ে টানা টানা দুটি চোখের
চাওয়াচাওয়ি ।
আচ্ছা তাকে কি কাঞ্জিভরম কলকায়
আরো খানিকটা হেমন্ত বুনে দেবো আমি ?
তারপর মিনমিনে কুয়াশায় ঘুরে বেড়াক না হয় দূর পাহাড়ের গায়ে গায়ে ।
এইসব অহেতুক আলাপের ভেতর শেষ হয় দিন আমার ।
অহেতুক তুচ্ছতায়
এলেবেলে মুখ ও মুখোশ কতো লাফ মেরে হামলে পড়ে ।
সে কি ছৌ নাচের মহড়া !
কী যে হাওয়ায় সবটা বসন্ত গেঁথে দিয়ে সন্ধ্যার নীরব চাহুনির অন্তর্জালে সরে গেছিল সে !
কোনো ভাবে সেই তীর ছাড়াতে পারিনি বুকের ভেতর থেকে ;
দেখাতেও পারিনি ক্ষত দাগ কাউকে ।
কী যে ঝিম ঝিম ভাব !
একান্তে চেপে ধরেছিলাম ভেতরের সব দিয়ে বাগমুণ্ডি পাহাড়ের গাছগাছালির মাথা যেন , যদিও আগুন ছড়িয়ে পড়েছিল তখনই পাহাড়ের গায়ে গায়ে , ওদিকে ----
চারদিকে নেশার ঘোর তখন । পান করেছিলাম আমিও অনেকখানি মদিরা যেন বা ; যদিও আমার নেশার কথা জানে নি কেউই -----
জেনেছিল যেন দুরন্ত হাওয়ার ভেতর একঝাঁক হরিণ ছুটিয়ে অন্য কেউ ---- চাঁদকে একলা আকাশে কী হাসি না হাসতে হাসতে কুটি কুটি হতে দেখলাম তখন -----
৫৮.
সাজানো গোছানো দেখলে
হাওয়ায় চুরমার হয়ে যায় পথ।
খুঁজে পাই না দৃষ্টিসুখটুকুকেও ।
পথে বেরোলে
আজকাল আবার আর এক জ্বালা ,
হাতছানি দিয়ে ডাকে পুরোনো অতৃপ্তিগুলো ---
ভাঙতে ভাঙতে গুঁড়িয়ে যাই ।
মনে হয় তার পায়ের তলায় কাঁকড় হয়ে গেলাম না তো ..!
পথের দ্রুততার সঙ্গে এত দীর্ঘ চুলের ঝাপটা খাই ,
মনে হয় জানলার কাঁচ গুলো বুঝি এবারেই ভেঙে পড়লো !
নিরাপদ বলে আর কীই বা ;
দামামা বাজছে চারদিকেই কতকিছুর ! নিঃশ্বাস নেবো সে কথা ভাবতে ভাবতে পকেটের ভেতর হাত রোমালের জন্য , হাত প্রবেশ করানো আর বের করা ; এও যেন অন্যমনষ্ক এক একাকীত্বের আসা আর যাওয়া সহ্য করা।
এইসব ছিলো
এইসব নিয়েই পথে পথে ঘোরাঘুরি ।
কার ঘরে কে ফিরতে না ফিরতে জানতে পাই গতরাতের ছবি দুটি আজ তার চোখের ভেতর থেকে হারিয়ে কাঁসাই-এ এত জল পেলো , যা এই পথের ধুলোয় গড়াগড়ি খাওয়া সহস্র ভাঙা ছবির থেকেও ভয়ঙ্কর ।
স্টেশন শূন্য জনমানবহীন একটি ঝটকা এসে এমন করে কেঁদে উঠলো , বুকের ভেতরটা খালি হয়ে গেল তখন।
সাদা থান কাপড় মুড়ি দিয়ে কে ওখানে শোয়া -----
প্রত্যেক প্রতিবিম্বের মুখে আঙুল চাপা দিয়ে আমি তখন বোবা হয়ে গেলাম ।
৫৯.
কয়েকটি শব্দে
যেসব দৃশ্যকে চাপা দিই বুকের ভেতরে ;
তাতে কতটুকুই বা পরিতৃপ্তি !
ট্রাক-ম্যাটাডোর-বাস-সুজুকি- হাইচ- মারুতি
কী নেই !
হাইওয়ে দিয়ে ছুটছে সকলেই পাশাপাশি .....
তুমি আমিও ।
বাতাসে ওলোট পালোট প্রকৃতি ।ফরফর করছে ।কে যেন এর ভেতরেই হাত নাড়তে নাড়তে সব কিছু উপেক্ষা করে হুড়মুড়িয়ে ---- যাক, যার যাবার তাড়া আছে
আসলে বাড়ি বলতে তো কারোরই কিছুই নেই । যেমন ঘুমের পর জেগে উঠে যেসব উদাসিনতার মতোন আমাদের জীবন ;
শুধু তুমি ভাবতে পারো না বলেই অপেক্ষা বেড়ে যায় তোমার ----
আমি তো ভেঙে খানখান হই এই সব ছবির আনমনা মহড়ায় ;
ভুলে যেতে চাই
যে ভুলের ভেতর তোমার শরীরী বরজরা কোনো কথা মনে আনে না বলেই আমাদের পরমায়ু বেড়ে যায় !
আচ্ছা , তুমি কি আজ একবার নদীর কাছে যেয়ে প্রত্যক্ষ করতে পেরেছিলে এইসব কথা ?
নদীই বলে দিতে পারে সকল অপেক্ষার মিলন কথা ঢেউএর পরে ঢেউ হয়ে গড়িয়ে যেতে যেতে ......
তারপর যে সব অভিব্যক্তি তৈরি হয়ে ওঠে রাতের নক্ষত্রে বিঁধতে বিঁধতে চাঁদের কথপকথনে -----
৬০.
অসম্মান অপমানের আবার হাত পা আছে নাকি ;
না হলে অযাচিত ঘাড় মটকায় কীভাবে ?
তখন যদিও আমি
দুহাতে শুঁকনো রুটি ছিঁড়ছিলাম , যেটুকু দারিদ্র পায়ের শেকল জড়িয়ে ছিলো।
দিনলিপি তে লিখিনি কোথাও ।কিম্বা বলিনি তোমাকেও ।
তুমি তোমার সচ্ছলতায় অহম মুচড়ে ছেঁকে তোলো
আমার অসহায় মুখের কিছুটা ঘাম , তোমার বেহিসাবি পাত্রে কিছুটা তুলে নাও ;
রোজ এমন কত অসহায়তার ছুরিকাটারির ঘা খেতে খেতেও কেন যে তার পায়ের কাছে নতজানু চেয়ে থাকি ?
হয়তো শুধুমাত্র একটুখানি নিরপরাধ ভাবতেই এই ফ্যাল ফ্যাল করে চেয়ে থাকা !
সেও কি দৈন্যতা
নাকি নিজেকে ধরে রাখবার অসহায় সঞ্জীবনী সে সব ?
৬১.
তাকে ভাবা মানে
রসায়নে মিশ্রিত ঢেউএ ডুবতে ডুবতে কিছুটা বল্কলে মুখ ঢেকে ধ্যানস্থ
হওয়া ;
জানি , ইদানিং সে লন্ঠন ঝুলিয়ে মুখের আদলে বদল চাইছে ,
সেই ভালো
ভালোই তো হলো
রাতের ঘোড়ারা বহুকাল সহিসবিহীন ছুটছিলো রক্তের দুরন্ত গতিতে ......
গেজলা ভেঙে ছুটে যাচ্ছিলো অনাদি কালের স্বপ্নের চোখেরাও দিকবেদিকশূন্য ----
যদিও এসব সব সে ও আমি বহুকাল অবচেতনে ভাঙতে ভাঙতেই আজ যখন কিছুটা প্রশান্তির আশায় স্নায়ুতন্ত্রের গভীরে মুখ তুলেছিলাম ,
তাতো আর কিছু না
একে অন্যের ভেতর হাঁটু মুড়ে বসবো বলেই ;
এই তো , এর বেশি কিছু কি ?
জীবন তার থেকে বেশি কিছু চেয়েছিল কি --- না চাওয়ার অধিকার নিয়ে দাঁড়িয়েছিল এসে ?
কিছুটা প্রশান্তির হাওয়ায় গড়িয়ে যেন
পড়ে আছে উদভ্রান্ত ফড়িংএর দুটি ডানা;....
সে ও আমি সকলেই এইসব নষ্ঠ ক্ষেতের পোকামাকড়ের জীবনের প্রকৃত কোনো হিসাব রাখতে
চেয়েছি কি ---- নাকি কেউ কারো অপ্রয়োজনে চেয়েছি ফিরে পেছনে একবারও-------!?
ছবি : কল্পোত্তম
No comments:
Post a Comment